আদা খাওয়ার উপকারিতা | Jemon Blog
ঢাকাশুক্রবার - ২৭ আগস্ট ২০২১
  1. অনলাইন জব
  2. গল্প জানুন
  3. টেক আপডেট
  4. লাভ স্টোরি
  5. সাকসেস লাইফ
  6. সোস্যাল আপডেট
  7. হেলথ টিপস

আদা খাওয়ার উপকারিতা

যেমন ব্লগ ডেক্স
আগস্ট ২৭, ২০২১ ১০:২২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ad

আদা একটি ভেষজ উপাদান। তবে এটি বিশ্বে মসলা হিসেবে পরিচিত। আমার এটি রান্নায় মসলা হিসেবে ব্যবহার করে থাকি।আদা স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। আমাদের শরীরের সব রোগ নিরাময়ে আদা অনেক ভূমিকা পালন করে। আদায় থাকা বিভিন্ন ধরনের উপাদান আমাদের শরীরের বিভিন্ন উপকারে কাজে লাগে। এসব উপাদান আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত অধিক পরিমাণে দরকার। আপনাদের সামনে এখন যে বিষয়টি নিয়ে কথা বলব সেটি হচ্ছে আদা খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে। আর এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী ও বটে। ছাড়াও এতে রয়েছে অনেক ধরণের ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান।

আদা ভাল ঔষধ হিসাবে ও পরিচিত। আদাতে রয়েছে ভিটামিন এ, সি, ই এবং বি কমপ্লেক্স। আদায় আরও রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম, সিলিকন, ফসফরাস, সোডিয়াম, আয়রন, দস্তা, ক্যালসিয়াম, বিটা ক্যারোটিন জাতীয় খনিজ। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায্য করে। আদায় স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি উপকারিতা রয়েছে।

আদার গুনাগুন ও উপকারিতার কথা বলে শেষ করা যাবে না। নিচে আদা খাওয়ার কিছু উপকারীতা তুলে ধরা হলো-

পেট খারাপ হলে

পেট খারাপ হওয়া থাকে বাঁচাতে আদা বেশ উপকারী। এর গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্ট ফর্মুলা পেটের পেশী শিথিল করতে সহায়তা করে। সুতরাং এটি পেটের গ্যাস হ্রাস এবং ফোলা কমাতে সাহায্য করে।

ad
আরো পড়ুনঃ  ফল খাওয়ার উপকারিতা

মলমূত্রের চিকিৎসার ক্ষেত্রে

যে কোনও ধরনের মলমূত্র নিয়ন্ত্রণে আদা সহায়তা করে। এক্ষেত্রে আদা ঔষধ হিসাবে কাজ করে থাকে। আদাতে উপস্থিত ভিটামিন বি ৬ মলকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এটি গর্ভবতী মহিলার পক্ষেও উপকারি বলে প্রমাণিত হয়েছে।

বাতের ব্যথা কমাতে

ব্যথা বেদনার ক্ষেত্রে আদা খুব উপকারী। যাদের বাতজনিত অসুখ রয়েছে তাদের নিয়মিত আদা খাওয়া উচিত। আদায় প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে। আর ক্যালসিয়াম হাড়কে মজবুত করে। বাতজনিত রোগ দূর করতে সাহায্য করে।আদা একটি প্রাকৃতিক বেদনানাশক। আদায় ব্যথা রিলাইভার আছে। আর এটি গলার ব্যথা দূর করতে সহাহ্য করে। এটি কাশি কমাতে সাহায্য করে

হার্টের জন্য

আদা হার্টের জন্য খুবই উপকারী। এটি কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। আর এটা হার্ট সম্পর্কিত বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। আদাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম । যা হার্টের জন্য ভাল।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা

আদা শরীরের চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। এটি শরীরে ইনসুলিন তৈরিতে সাহায্য করে যা ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।তাই ডায়াবেটিস রোগীদের নিয়মিত ইদা খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করা উচিৎ।

আরো পড়ুনঃ  কিভাবে কমিউনিকেশন আরো ইম্পুর্ভ করা যায়?

মাইগ্রেনের ব্যথা নিয়ন্ত্রণে

কিছু বিশেষজ্ঞ বলেন মাইগ্রেনের মাথা ব্যথা কমাতে আদা চা নাকি অনেক বেশি উপকারী। এতে যে ভিটামিন এবং পুষ্টি উপাদান রয়েছে তা মাইগ্রেন স্বস্তি দেয়।

ঠান্ডা এড়ানো

আমার সবাই জানি, ঠান্ডা থেকে রক্ষা করতে আদা খুব ই উপকারী বলে পরিচিত। ছোট বাচ্চারা যদি শীত অনুভব করে তবে তারা শীত থেকে বাঁচাতে আদা ব্যবহার করে। আদায় অ্যান্টি-ভাইরাল, অ্যান্টি-ফাঙ্গাল গুন আছে। এর কারণে আদা ঠান্ডা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

মাসিক ব্যথা কমাতে

মেয়েদের মাসিকের সময় ব্যথা কমাতে আদা চা ব্যবহার করালে অনেক বেশি উপকার পাওয়া যায়। আদাতে আছে অনেক বেশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা ব্যথা কমাতে সহায়তা করে ।

ক্যান্সার প্রতিরোধক

ক্যান্সার একটি মারাত্মক বিপজ্জনক রোগ। আদা ক্যান্সার আক্রান্তদের জন্য উপকারী। আদাতে উপস্থিত বিভিন্ন উপাদান ক্যান্সার কোষের জন্য মৃত্যু ঘটায়। যা ক্যান্সার এড়াতে সহায়তা করে। তাই বলা যায় আদা ক্যান্সার রোগের জন্য মহৌষধ।

হাঁপানি ও ফুসফুস সংক্রান্ত

ফুসফুসে কোনো সংক্রমণ থাকলে এবং তার জন্য শ্বাস নিতে কষ্ট হলে অথবা হাঁপানি রোগ থাকলে প্রতিদিন নিয়ম করে আদার রস চায়ের মতো করে খেলে অনেক বেশি উপকার পাওয়া যায়। তার সাথে ঠান্ডাজাতীয় খাবার ও এড়িয়ে চলতে হবে।

আরো পড়ুনঃ  সবুজ শাক খাওয়ার উপকারিতা

গ্যাস এর সমস্যা

নানা কারণে গ্যাস-অম্বলের সমস্যা আমাদের সকলের লেগেই থাকে। অনেকের এই গ্যাস-অম্বলের সমস্যা তো পিছুই ছাড়ে না। এই সমস্যায় আপনার উপকারী বন্ধু হলো আদা। প্রতিদিন একটু করে আদা খেলে গ্যাস-অম্বলের সমস্যা দূর হয়ে যাবে।

ওজন কমাতে

আদা ওজন কমাতে সাহায্য করে। ওজন কমানোর ক্ষেত্রে আদা পানি অনেক সাহায্য খরে। এক্ষেত্রে পানিতে আদা টুকরো টুকরো করে কেটে পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি খেলে ওজন দ্রুত কমে। তাই যারা ওজন কমাতে চায়, তাদের নিয়মিত আদা পানি খেতে হবে। পরিশেষে দেখা গেলো, আদা আমাদের শরীরের জন্য খুব উপকারী। এটা শরীরের অনেক রোগের জন্যে ই কাজ করে থাকে। বেশির ভাগ রোগ প্রতিরোধ করার ই ক্ষমতা এর আছে। আর পাশাপাশি এটা ভিটামিন ও খনিজ উপাদান এর ও উৎস। তাই আমাদের সকলের ই আদা খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিৎ।