ঔষধ খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারীতা | Jemon Blog
ঢাকাসোমবার - ৩০ আগস্ট ২০২১
  1. অনলাইন জব
  2. গল্প জানুন
  3. টেক আপডেট
  4. লাভ স্টোরি
  5. সাকসেস লাইফ
  6. সোস্যাল আপডেট
  7. হেলথ টিপস

ঔষধ খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারীতা

যেমন ব্লগ ডেক্স
আগস্ট ৩০, ২০২১ ৫:৩৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ad

ঔষধ খাওয়া! চিকিৎসার সাথে আমারা সবাই কম বেশি পরিচিত আমাদের প্রত্যহ জীবনে। আমাদের এই চিকিৎসার সাথে ঔষধ এর সাথে গভীর ভাবে জড়িত। ঔষধ আমাদের রোগ প্রতিরোধ করে বা আমাদের রোগ নিরাময় করে। আমরা সকলেই জীবনে চলার পথে কখনো না কখনো অসুস্থ হয়ে থাকি। আমাদের সুস্থ তার জন্য আমরা ঔষধ গ্রহন করি। ঔষধ খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা নিয়ে এখন কিছু আলোচনা করব।

ঔষধ খেলে আমাদের কি হয় এবং অতিরিক্ত ওষুধ খেলে আমাদের কি হতে পারে এসব বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরী এবং জেনে নেওয়া জরুরী কারণ । ওষুধ যেমন আমাদের শরীরের জন্য উপকারী তেমনি অধিক পরিমাণে ঔষধ খাওয়া ও অনেক ক্ষতি।  ঔষধ আমাদের শরীরের মধ্যে জীবাণুকে ধ্বংস করে।

আমরা যদি অতিমাত্রায় ওষুধ সেবন করে থাকি তাহলে এটি আমাদের শরীরে ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে ।শরীরে ক্ষত সৃষ্টি করলে অনেক রোগ সৃষ্টি হবে এজন্য আমাদের সঠিক নিয়মে ঔষধ খেতে হবে।

ঔষধ খাওয়ার উপকারিতা:

আমরা আমাদের শরীরের চিকিৎসা করাতে ডাক্তার এর কাছে জাই তিনি প্রেসক্রিপশন এ ঔষধ লিখে দেয় সেই ঔষধ আমাদের রোগ নিরাময় এ সাহায্য করে। তবে ঔষধ খাওয়ার কিছু কিছু সময় রয়েছে আমরা রোগ ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে নিজেদের ইচ্ছে মতো যে কোনো ঔষধ খেয়ে নিতে পরই না। সকল ঔষধ খাওয়ার আগে আমাদের অবশ্যই সেই ঔষধ এবং রোগ সম্পর্কে অবগত থাকতে হবে অথবা ডাক্তার এর পরামর্শ নিতে হবে।

ad
আরো পড়ুনঃ  কপি নিউজ দেওয়ার ব্যাপারে সতর্কতা

ঔষধ খাওয়ার কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম:

ঔষধ অবশ্যই বসে খাওয়া উচিৎ। না হয় খাওয়ার ব্যতিক্রমে ঔষধ শ্বাসনালিতে চলে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে একজন মানুষের মুহুর্তের মধ্যে মৃত্যু ঘটতে পারে। আবার সকল ঔষধ এক সাথে খাওয়া ভুল। বিভিন্ন ধরনের রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি অনেক গুলো ঔষধ খেয়ে থাকে। তারা অনেকেই সেই ঔষধ গুলো একত্র করে এক সাথে খেয়ে থাকে এইটা ভুল। ঔষধ সেবন করা উচিত কম পক্ষে ১০/১৫ মিনিট পর পর।

জীব সকল প্রকার জীব কোনো না কোনো রোগে আক্রান্ত হয়। রোগ ব্যাধি বেশি হলে জীবনের ঝুঁকি থাকে। ঔষধ এর প্রচলন অনেক আগেই ছিল।

সাস্থ্য সকল সুখের মূল আমারা সকলেই এই প্রবাদ টার সাথে পরিচিত আর সুস্থ আর রোগ মুক্ত থাকার জন্য ঔষধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ঔষধ আমাদের বিভিন্ন রোগ থেকে প্রতিকার দান করে। এছাড়া আমাদের শরীরের ছোট সমস্যা থেকে বড় সমস্যা থেকে ঔষধ আমাদের প্রতিকার দেয়। আর বিভিন্ন মরন ব্যাধি রোগ থেকে ও ঔষধ আমাদের পরিত্রাণ দেয়। সুতরাং বর্তমান সময়ে ঔষধ আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে কাজ করে।

আরো পড়ুনঃ  রসুন চাষ করার পদ্ধতি

ঔষধ এর অপকারীতা:

প্রত্যেক টা জিনিস এর যেমন ভালো দিক রয়েছে তেমনি খারাপ দিক ও রয়েছে। ঔষধ আমাদের জীবন বাঁচাতে যেমন সাহায্য করে তেমনি কিছু কিছু ঔষধ রয়েছে এবং আমাদের খাওয়ার ব্যতিক্রম ও সঠিক ঔষধ না খাওয়ার ফলে আমাদের জীবন নিতে ও পারে ঔষধ।

নিজের মনে ঔষধ খাওয়া:

এই সম্পর্কের নতুন করে বলার কিছু নেই সকলেরই এই টি অবগত যে নিজে নিজে ঔষধ খাওয়া কতটা ক্ষতিকর হতে পারে। চিকিৎসক এর সঠিক পরামর্শ ছাড়া সাধারণ সর্দিজ্বর এর ঔষধ খাওয়া ও ঝুঁকি পূর্ণ। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মানুষ সেটা বুঝতে চান না বিপদে না পড়লে।

অন্যের কথা শুনে ঔষধ খাওয়া:

অনেকেই রয়েছে অন্যদের অসুস্থতার সময় বেশি সাহায্য করতে গিয়ে রোগী কে ভুল চিকিৎসা প্রদান করে। তারা ডাক্তার এর পরামর্শ নেওয়ার প্রয়োজন মনে করে না। রোগ যতই সামান্য হোক না কেনো ঔষধ খাওয়ার ক্ষেত্রে ডাক্তার এর পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। কোনো একজন মানুষের যদি উচ্চ রক্তচাপ থাকে এবং তিনি যদি কোনো রোগে আক্রান্ত হয় তাহলে ভুল পরামর্শের ঔষধ খাওয়ার জন্য তার প্রাণ হানী ঘটতে পারে এমনকি বড় ধরনের কোনো সমস্যা হতে পারে।

আরো পড়ুনঃ  স্বপ্নের নায়ক সেই তুমি • পর্ব-৩

আবার সকল বয়সের মানুষের জন্য সব ধরনের ঔষধ প্রযোজ্য নয়। একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষ যেই ঔষধ খেতে পারবে এক জন বাচ্চা সেই ঔষধ খেতে পারবে না। ডাক্তার আমাদের ঔষধ দেন আমাদের বয়স, অবস্থা ও রোগ বিবেচনা করে। তাই কোনো রোগ হলে ডাক্তার এর চিকিৎসা বা পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।

খালি পেটে ঔষধ খাওয়া:

কিছু ঔষধ খালি পেটে খেতে হয় আবার কিছু ঔষধ খাওয়ার আগে বা পরে খেতে হয়। কোন ঔষধ কখন এবং কিভাবে খেতে হবে তা ডাক্তার বলে দেন। এই সকল সামান্য বিষয়ে অবহেলা করার ফলে হতে পারে মারাত্মক সমস্যা। আমার অতিরিক্ত ঔষধ সেবনে কিডনি তে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হতে পারে।