পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকার উপকারিতা | Jemon Blog
ঢাকাসোমবার - ৩০ আগস্ট ২০২১
  1. অনলাইন জব
  2. গল্প জানুন
  3. টেক আপডেট
  4. লাভ স্টোরি
  5. সাকসেস লাইফ
  6. সোস্যাল আপডেট
  7. হেলথ টিপস

পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকার উপকারিতা

যেমন ব্লগ ডেক্স
আগস্ট ৩০, ২০২১ ৭:০২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ad

সকল প্রকার অসুখের মূল হচ্ছে অপরিষ্কার থাকা। অপরিষ্কার থাকলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের রোগ-জীবাণু জন্ম নেয় এর ফলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের অসুখ এর দেখা দেয়। আজকাল মানুষ এত অলস হয়ে গেছে যে ঠিক ভাবে পরিষ্কার ও থাকেনা এর ফলে অনেক ধরনের অসুখ এর সম্মুখীন হয়।এখন আমরা আপনাদের মাঝে আলোচনা করব পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকার উপকারিতা সম্পর্কে।

শরীর পরিষ্কার থাকা

আমাদের সুন্দরভাবে বেঁচে থাকতে হলে সবার আগে প্রয়োজন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ভাবে থাকা, কারণ আমরা জানি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা ঈমানের অঙ্গ। দেহ ও মন সুস্থ রাখার জন্য সকলের প্রয়োজন পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ভাবে থাকা এবং পরিষ্কার পোশাক পরা।

পোশাক পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে

শুধু শরীর পরিষ্কার থাকলেই হবে না বরং নিজেদের পোষাক জামাকাপড় এসব সবকিছুই পরিষ্কার থাকা জরুরি। জামাকাপড় অপরিষ্কার থাকার কারণে এতে অনেক রোগ জীবাণু লেগে থাকে যেটি শরীরের ক্ষতি করে এবং অনেক অসুখ এর মুখে ঠেলে দেয়। পোশাক যেহেতু আমাদের শরীরের সাথে লেগে থাকে তাই পোশাক সম্পর্কে আমাদের অত্যন্ত সতর্ক থাকা জরুরি।

শরীর অপরিষ্কার হয় তখনই যখন অধিক ঘেমে যায় এবং ঘামযুক্ত পোশাক পরিধান করে তখনই শরীরে রোগ জীবাণু সৃষ্টি হয়। শরীরকে সুস্থ এবং সুন্দর রাখতে হলে শরীর পরিষ্কার রাখতে হবে এবং পোশাক জামাকাপড় সবকিছুই পরিষ্কার থাকতে হবে।

ad
আরো পড়ুনঃ  খারাপ কাজের ফলাফল!

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন খাবার খাওয়া

শুধু তাই নয় শরীরকে সুস্থ রাখতে হলে খাবারের প্রয়োজন রয়েছে এবং এই খাবারটি হতে হবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন খাবার। পরিষ্কার খাবার খাওয়া এবং স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজন। যদি খাবার দূষিত হয় তাহলে এটি একটা মানুষকে অসুস্থ করে ফেলতে যথেষ্ট। ভেজাল খাদ্য খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ ভেজাল খাদ্য খাওয়ার মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন ধরনের রোগ-জীবাণু সৃষ্টি হয় এবং এই রোগ জীবাণুর কারণে শরীর অসুস্থ হয়ে যায়।

মানুষ যখন অধিক পরিমাণে ঘামতে থাকে তখন শরীর থেকে অনেক রোগ জীবাণু বেরিয়ে আসে এবং এই ঘাম যদি শরীরের সাথে লেগে থাকে তাহলে রোগ জীবাণু শরীরের সাথে লেগে যাবে, এর ফলে শরীরের বিভিন্ন ধরনের অসুখ বালা দেখা দিবে।

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হলে আমাদের যা যা করতে হবে তা নিচে দেওয়া হলো।

গোসল করা

প্রত্যেকদিন সুন্দরভাবে গোসল করতে হবে। কারণ শরীরের সাথে রোগ জীবাণু দূর করার প্রধান মাধ্যম হচ্ছে গোসল করা। এর ফলে শরীর থেকে বিভিন্ন রোগ জীবাণু দূর হয়ে যায়। শরীরে লেগে থাকা ঘাম শরীরকে রোগ-জীবাণুর জায়গা বানিয়ে নেয়, আর যদি গোসল করা হয় তাহলে শরীর থেকে এসব ঘাম ধুয়ে যাবে এর ফলে অনেক ধরনের অসুখ-বিসুখ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। তাই আমাদের সকলের উচিত প্রত্যেক দিন গোসল করা এবং যখনই অধিক পরিমাণে ঘেমে যাবে তখনই গোসল করতে হবে। তাহলে শরীরের ঘাম থাকবে না এবং অসুখ-বিসুখ থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন।

আরো পড়ুনঃ  মেয়ে পটানোর কয়েকটি টিপস

হাত, মুখ, পা ধৌত করা

আমাদের সকলের উচিত যখনই শরীরের কোন অংশে ময়লা লেগে যাবে তখনই হাতমুখ অথবা পা যেখানে ময়লা লাগুক সাথে সাথে ধুয়ে ফেলতে হবে। কারন মানুষ চলাফেরা করতে থাকে, এর ফলে হাতে-পায়ে মুখে বিভিন্ন ধরনের ময়লা মাটি লেগে যায়। রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় অনেক ধরনের ধুলা লেগে যায় এর ভিতরে কিছু জীবাণু থাকে, যার ফলে এই ধুলাবালি জদি না ধুয়ে ফেলা হয় তাহলে শরীরের বিভিন্ন ধরনের অসুখ-বিসুখ এর জন্ম দিতে পারে। তাই যখনই শরীরের যে অংশে হোক ময়লা মাটি লাগবে তখনই সেই অংশ ধুয়ে ফেলতে হবে।

তাই শরীরকে সুস্থ রাখতে হলে হাত-পা ও মুখ ময়লা লাগায় সাথে সাথে ধুয়ে ফেলা জরুরী, তাহলে সুস্থ থাকা সম্ভব।

ময়লা আবর্জনা থেকে বিরত থাকা

সব থেকে একটা জরুরী বিষয় হচ্ছে নিজেকে ময়লা আবর্জনা থেকে বিরত রাখা। কারণ সকল অসুখের মূল হচ্ছে ময়লা আবর্জনা। ময়লা আবর্জনা থেকে এই রোগ জীবাণু শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এর ফলে আপনার শরীরে বিভিন্ন রোগ দেখা দেয়। হাছি অথবা কাশি, সর্দি ইত্যাদি হওয়ার সময় হাতে যদি সর্দি, কফ, থুথু লেগে যায় তাহলে আমরা যদি ধুয়ে না ফেলি তাহলে এখান থেকে অনেক রোগ-জীবাণুর জন্ম নিবে।

আরো পড়ুনঃ  অদ্ভুত দুনিয়ার কুসংস্কার

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে হলে অবশ্যই ময়লা আবর্জনা থেকে বিরত থাকতে হবে, কারন একটি মানুষের শরীরে তখনই রোগ জীবানু ছড়ায় যখন তার শরীরে ময়লা মাটি লেগে থাকে। এই জন্য আমাদের সকলের উচিত ময়লা আবর্জনা থেকে বিরত থাকা।

আসলে একটি কথা সবার বিশেষভাবে জেনে রাখা জরুরী সেটা হচ্ছে আমরা সবসময়ই মনে রাখবো যে শরীরে যখনই কোন ময়লা আবর্জনা থাকবে তখনই আমাদের অসুখের সৃষ্টি হবে। এজন্য আমরা সকলেই নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে হলে এসব নোংরা আবর্জনা থেকে বিরত থাকব। আশা করি সবাই বুঝতে পেরেছেন। ধন্যবাদ ভালো থাকবেন।