ভালোবাসার অন্যতম গল্প | Jemon Blog
ঢাকাশুক্রবার - ২৬ নভেম্বর ২০২১
  1. অনলাইন জব
  2. গল্প জানুন
  3. টেক আপডেট
  4. লাভ স্টোরি
  5. সাকসেস লাইফ
  6. সোস্যাল আপডেট
  7. হেলথ টিপস

ভালোবাসার অন্যতম গল্প

যেমন ব্লগ ডেক্স
নভেম্বর ২৬, ২০২১ ৩:৫৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ad

আমার নাম শেখ ফরিদুল ইসলাম, আমার বর্তমান বয়স ২৩ বছর, এখন আমি লেখাপড়ার মধ্যে আবদ্ধ। আমার 23 বছর বয়স হয়েছে কিন্তু এখনও বিয়েটা হল না খুবই দুঃখজনক। রিলেশন করেছি অর্থাৎ শুরু করেছি প্রায় ২ বছর হয়ে যাচ্ছে। আমার গার্লফ্রেন্ডের নাম রুপা আক্তার, ওর ফুল নাম আনিসা আক্তার রুপা। ওদের বাসা কুমিল্লা আর আমাদের বাসা ও কুমিল্লা মেন শহরে।

আমাদের প্রথম দেখা হয়েছিল ইউনিভার্সিটি দ্বিতীয় তলাতে। সেখানে প্রথম দেখাতে কোন কথা হয়নি শুধুমাত্র আমি ওর দিকে তাকিয়ে ছিলাম ‌‌। সেদিন আমার অনেক বেশি আনন্দ এবং ভাল লাগছিল মেয়েটিকে দেখে আর সে মেয়েটি আজ আমার বউ হতে চলছে বিষয়টা খুবই অদ্ভুত এবং ভালো লাগার মত।

অবশ্য আমি তখন রুপাকে অনেক বেশি ফলন করছিলাম কোথায় যায় কী করে পুরো একটা দিন আমি ফোন করছিলাম হয়তো বুঝতে পেরেছে কিন্তু বুঝতে পারার পরেও পাত্তা দেয়নি। বুঝতে পারলে আমার কি আমি মেয়েটিকে এখন ভালবাসি তখন আমার ভালো লেগেছে এটা যদি জানতে পারে তাহলে ভালো।

অতঃপর একদিন ভার্সিটিতে দেরি করে আসলাম তখন এসে দেখি ক্লাস শুরু হয়ে গেছে অতঃপর ছাড় দিচ্ছে সবাই নীরব হয়ে গেছে তখন দরজায় এসে ক্লাসে প্রবেশ করার জন্য স্যারের কাছে অনুমতি চাইলাম কিন্তু সবাই নিজের মত করে তার দিকে তাকিয়ে আছে শুধুমাত্র রুপা আমার দিকে তাকিয়ে একটু হালকা হাসি দিয়েছে আমি বিষয়টা লক্ষ্য করলেও অন্য কেউ বুঝতে পারেনি।

ad
আরো পড়ুনঃ  ভালোবাসার অন্যতম গল্প | পর্ব-২

স্যার আমাকে ঢোকার জন্য পারমিশন দিল আমি ক্লাস রুমে ঢুকে পড়লাম অতঃপর শিক্ষক মহোদয় বসার জন্য অনুমতি দিলো আমি বসলাম আমি ঘাড় ঘুরিয়ে আবার রুপোর দিকে তাকালাম রুপা একটা মুচকি হাসি দিলো বুঝতে পারলাম রুপা একটা ভালো মেয়ে আমাকে হয়তো পছন্দ করে। এভাবে শুধু মুচকি হাসির মতো দিয়ে চলে গেল বেশ কয়েকদিন, কিন্তু রুপার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করে এটা কিভাবে বুঝাবো কোন ভাবেই যেন আমি ওর সাথে কথা বলতে পারছিনা আর রুপা ও আমার সাথে কথা বলার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করছে না বুঝতে পারলাম এটা আমি অতঃপর আমি কলেজ থেকে ক্যান্টিনে চলে গেলাম সেখানে গিয়ে একটু বসলাম লক্ষ করলাম কেউ একজন আমার পাশে এসে দাঁড়িয়ে আছে সে আর কেউ নয় রুপা।

আমি আতঙ্কিত হয়ে গেলাম, কি বলবো কি করবো বুঝতে পারলাম না হঠাৎ করে তোমাকে দেখে মাথা ঘুরে গেল এরপর আমি সাহস করে বললাম বসবেন এখানে? রুপা বললাম বসবো। সবাই সবার মত করে গল্প করতেছে কেউ খাবার খাচ্ছে রুপা ওখানে বসার পরে শরীরের মধ্যে আমি একটা অন্যরকম অনুভূতি অনুভব করলাম। তখন আমি ওর নাম জানিনা আমি ওকে জিজ্ঞেস করলাম আপনার নাম কি?

আরো পড়ুনঃ  সঠিক প্রোডাক্ট বাছাই করা

রুপা মুচকি হাসি দিয়ে বলল আমার নাম রূপা। আমি বললাম খুবই ভাল নাম। বাবুল ও আচ্ছা তাই নাকি আমি বললাম হ্যা তাই। জানতে চাইলাম আপনার বাসা কোথায় রুপা বলবো কুমিল্লার মেন শহর থেকে একটু ভিতরে, আমি বললাম ও আচ্ছা ঠিক আছে। আমি বললাম কেন্টিনে আসছেন কেন খাবার খাবেন? রুপা আমাকে বলোনা খাবার খাওয়ার জন্য নাই এমনিতেই আসতাম।

আমি সাহস করে জিজ্ঞেস করে বসল বাচ্চা ক্লাসের মধ্যে আমাকে দেখে এভাবে মুচকি হাসি দেয়ার মানেটা কি আমি এখনো বুঝে নেই। রুপা বলল হাসতে কি বারণ আছে? আমি বললাম হাসতে বারন নেই কিন্তু যে হাসার মানে জানিনা শ্যা হাসান মানে কি হতে পারে। লোপা বললো আমার নিজের মুখে আমি হেসেছি এটা আপনাকে কেন বলবো? আমি বললাম ঠিক আছে আমাকে বলতে হবে না এখন কয়েকবার হাসান আমি দেখি রুপা বলল আমি হাসবো আর আপনি দেখবেন এর মানে কি?

আমি বললাম আরে নাহ কোন মানে নেই আমি তাই মজা করলাম ঠিক আছে তাহলে আপনি এখানে বসুন আমি উঠে যায় নাকি? রুপা বলল কোথায় যাবেন কেন আমি ডিস্টার্ব করতেছি আমি বললাম না হয়তো আমি আপনাকে ডিস্টার্ব করতেছি আপনি হয়তো ডিস্টার্ব ফিল করতেছেন। রুপা বলল না আমি তো ডিস্টার্ব ফিল করতেছি না।

আরো পড়ুনঃ  মোবাইল দিয়ে আর্টিকেল লিখে এডসেন্স পাওয়া

রুপা বলতে লাগল আমি ডিস্টার্ব ফিল করতে লাগলে আপনাকে বলতাম এখন আপনার সাথে কথা বলতে আগ্রহী হতাম না। আমি বুঝতে পারলাম উপর কাছে আমি ভালো লাগার একটা পাত্র হয়ে গেছি। মনে মনে রুপাকে আমার অনেক বেশি ভালো লাগে সেটা ওকে বুঝতে দেয়নি।

পরবর্তী পর্ব-